নোয়াখালী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন ‘মানবিক পুলিশ’ শওকত হোসেন
নোয়াখালী-৫ আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিচ্ছেন সাবেক পুলিশ সদস্য শওকত হোসেন। মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশজুড়ে পরিচিতি পাওয়া শওকত হোসেন স্থানীয়দের মধ্যে ‘মানবিক পুলিশ’ নামে সুপরিচিত।
শওকত হোসেনের বাড়ি নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নে। দীর্ঘদিন বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত থাকার পর তিনি মানবিক কাজের জন্য স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন। এরপর তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সেবা কার্যক্রম হাতে নেন। চিকিৎসা, শিক্ষা ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে তিনি বিশেষভাবে পরিচিতি পান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড দ্রুত ভাইরাল হয়।
রাজনীতিতে প্রবেশের মূল উদ্দেশ্য হিসেবে শওকত হোসেন বলেছেন, তিনি বাংলাদেশে একটি বেওয়ারিশ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে চান। ইতোমধ্যে তিনি চট্টগ্রামের অক্সিজেন এলাকায় একটি বেওয়ারিশ ১২০ শয্যার সদর হাসপাতাল চালু করেছেন, যেখানে বেওয়ারিশ ও অবহেলিত মানুষদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। তিনি নির্বাচনে আসার মাধ্যমে বেওয়ারিশ ও অসহায় মানুষের জন্য আরও বিস্তৃত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চান।
শওকত হোসেনের বক্তব্য, “আমার রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়, মানবিক দায়িত্ব পালনের একটি মাধ্যম। বেওয়ারিশ ও অসহায় মানুষের জন্য সুন্দরতম চিকিৎসা ব্যবস্থার নিশ্চয়তা দিতে আমি নির্বাচনে আসছি।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, তার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, মানবিক কর্মকাণ্ড ও মানুষের পাশে থাকা তাকে নোয়াখালী-৫ আসনে একজন সম্ভাবনাময় প্রার্থী হিসেবে পরিচিত করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় গণমাধ্যমেও তার কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য, শওকত হোসেন শুধু নির্বাচনী প্রচার বা রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, বাস্তব জীবনের কাজের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। অসহায় রোগীদের চিকিৎসা, বেওয়ারিশদের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সেবামূলক কর্মকাণ্ড তার পরিচয়ের মূল অংশ। তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়—মানুষের কল্যাণ এবং ন্যায্য সেবা নিশ্চিত করার একটি মাধ্যম।
স্থানীয়রা আশাবাদী, তার নির্বাচনী প্রচারও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সমন্বয় রেখে হবে। নোয়াখালী-৫ আসনের ভোটাররা একজন প্রার্থী হিসেবে তার কর্মসংস্থান, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
শওকত হোসেনের রাজনৈতিক লক্ষ্য হলো মানবিক সেবা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রসার, যা তার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পরিচিতিকে আরও দৃঢ় করছে। তিনি চান, নির্বাচিত হলে সমাজের দরিদ্র, অসহায় ও বেওয়ারিশ মানুষদের জন্য আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারবেন।

কোন মন্তব্য নেই: