|

রাজশাহী আইএইচটির শিক্ষককে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ!

রাজশাহী আইএইচটির শিক্ষককে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক অসীম কুমার ঘোষকে নিয়ে প্রকাশিত একটি চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনের তথ্য ও ঘটনাক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অসীম কুমার ঘোষ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমট্যাব)-এর রাজশাহী প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এমট্যাবের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব দবির উদ্দিন তুষার।

দবির উদ্দিন তুষারের দাবি, অসীম কুমার ঘোষকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে একটি পক্ষ মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করছে। তিনি এ ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেদনে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে অসীম কুমার ঘোষ ঢাকায় অবস্থান করছিলেন এবং বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিপিএ)-এর কাউন্সিল অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কাউন্সিল অধিবেশনে উপস্থিত থাকার বিষয়টি বিডিপিএর কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।
বিডিপিএ কাউন্সিলে অসীম কুমার ঘোষ 

এদিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে শিক্ষক ও ছাত্রীর ধর্মীয় পরিচয়কে শিরোনামে গুরুত্ব দেওয়ায়ও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে ধর্মীয় পরিচয় নয়, প্রয়োজন তথ্য ও প্রমাণ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, প্রতিবেদনে যে সময়ের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, সে সময়ে অসীম কুমার ঘোষ যদি ঢাকায় বিডিপিএর কাউন্সিল অধিবেশনে উপস্থিত থেকে থাকেন, তাহলে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ঘটনাপ্রবাহ ও তাঁর অবস্থানের তথ্য কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ?

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিষয়টি পরিষ্কার করতে কাউন্সিল অধিবেশনে তাঁর উপস্থিতি, ঢাকায় অবস্থানের সময়কাল এবং সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

অভিযোগ সত্য হলে তদন্ত ও প্রমাণসহ সংবাদ প্রকাশ হোক। আর তথ্য ভুল হলে সংশোধন করা হোক। কারণ কাউকে বিতর্কিত করার আগে তথ্য যাচাই করাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মূল শর্ত।
নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال