নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে এই কর্মসূচি আয়োজনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সংবর্ধনা আয়োজনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটি শুধু একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নয়; বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নতুন গতি সৃষ্টির একটি প্রতীকী কর্মসূচি।
দলীয় সূত্রে আরও জানা যায়, সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি রাজধানীর একটি নির্ধারিত স্থানে আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহানগর থেকে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। অনুষ্ঠান ঘিরে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিশেষ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির একজন দায়িত্বশীল নেতা বলেন, তারেক রহমান দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম মুখ। তাঁর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় দল দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই সংবর্ধনা কর্মসূচির মাধ্যমে নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে।
অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনের শর্তে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা বরদাশত করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বিএনপির রাজনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও তারেক রহমানের রাজনৈতিক বক্তব্য ও কৌশল দলীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই সংবর্ধনা আয়োজনের অনুমতি পাওয়া বিএনপির জন্য সাংগঠনিক ও মনোবল বৃদ্ধির দিক থেকে ইতিবাচক বলে মনে করছেন তারা।
এদিকে সংবর্ধনা ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির সমর্থকরা একে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময় ও তারিখে শান্তিপূর্ণভাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে তারা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কোন মন্তব্য নেই: